দৈনিক সকাল বিডি.কম এর চট্টগ্রাম ব্যুরো চীফ নিয়োগ।

চাকরি ছেড়ে বিনাবেতনে “করোনাযুদ্বে” লরছেন ওরা

আজ ২৩ শে এপ্রিল, বিশ্ব মেডিকেল ল্যাবরেটরি দিবস,

সাধারণ ছুটি মেয়াদ বাড়লো ৫ মে পর্যন্ত

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকারি-বেসরকারি অফিসে সাধারণ ছুটির মেয়াদ সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ৫ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ নিয়ে পঞ্চম দফায় ছুটি বাড়ানো হল।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২৬ এপ্রিল থেকে আগামী ৫ মে পর্যন্ত ছুটি বর্ধিত করা হবে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সকালে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। যেহেতু ৬ মে বৌদ্ধ পূর্ণিমার ছুটি আছে, সেহেতু ওইদিন সরকারি ছুটি থাকবেই। তবে ৫ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটির নোটিশ হবে। এ সময়ের মধ্যে জরুরি প্রয়োজনে কিছু মন্ত্রণালয় খোলা থাকবে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ যেন ছড়িয়ে না পড়ে- সেটি প্রতিরোধে সরকারের নির্বাহী আদেশে চার দফায় আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে সাধারণ ছুটি চলছে।

গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত প্রথম দফায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে পরে এই ছুটি বাড়িয়ে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়। এরপর ১৪ এপ্রিল এবং সর্বশেষ ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়।করোনাভাইরাসের কারণে প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি দেয়া হয়েছিল। এরপর ছুটি বাড়িয়ে তা ১১ এপ্রিল করা হয়। ছুটি তৃতীয় দফা বাড়িয়ে করা হয় ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর চতুর্থ দফায় ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়। এবার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পঞ্চম দফায় ছুটি বাড়ানো হল।

থমকে যেতে পারে স্বাস্থ‍্যখাত, ব‍্যাহত হতে পারে রোগ নির্ণয়।

বর্তমান বাংলাদেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী যেভাবে ডাক্তার, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীরা আনুপাতিক হারে করোনা ভাইরাস (Covid19) দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে তাতে হোম কোয়ারেন্টাইন,লকডাউন,আইশোলুশন, এবং ভেন্টিলেশন কাজে যুক্ত থাকার কারণে অনেকেই আক্রান্ত হবে,
সেই সুত্রে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আরোও সংকট হয়ে আসবে, কমে আসবে রোগ নির্ণয়ের সংখ্যা। অনেক ডাক্তার সহ অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মীরা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকায় হসপিটালগুলোতে কমতে পারে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নির্নেয়, উল্লেখ থাকে যে ডাক্তার নির্দেশিত কোন রোগ নির্ণয় করে থাকে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল‍্যাব, রেডিও গ্রাফার, ডেন্টাল,(রেডিও থেরাপি, ফিজিওথেরাপি), রোগের Sample collection থেকে শুরু করে শুরু করে Processing , Preserving , leveling and testing or Reporting সবই করেন একাডেমিক ভাবে ও হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা। কোন স্বাস্থ্য কর্মী বা কোন নার্স টেস্ট করে না। তাদের কাজ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সেবা দেওয়া।

কারন দেশের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিশেষায়িত ও আধাসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে ডাঃ ও নার্স মাঝেমধ্যে নিয়োগ দেয়া হলেও প্রায় এক যুগ ধরে নিয়োগ নেই মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে। তাই পর্যাপ্ত ডাঃ নার্স নিয়োগ থাকায় তারা সাপোর্ট পাবে সহকর্মী দিয়ে।
কিন্তু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে আছে শূন্য পদ এবং নতুন পদ কারন সরকারের উন্নয়নের যাত্রায় বেড়েছে হসপিটাল, মেডিকেল কলেজ, বেড়েছে শয‍্যাসংখা। কিন্তু বাড়েনি সেই অনুপাতে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের পদ পদবী।
দেশের প্রায় অধিকাংশ হসপিটালে তিনটি বা পাঁচটি মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে আছে একজন করে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট। কোন কোন হসপিটালে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট না থাকায় পরে আছে কোটি টাকার যন্ত্রপাতি যেগুলো নষ্ট হচ্ছে অব‍্যাবহার করেই। কিছু হসপিটালে এরই মধ্যে কভিড -১৯(Covid19)নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা নীরিক্ষা করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট। ঐ সকল প্রতিষ্ঠানে শুধু মাত্র একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট থাকার কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পরীক্ষার প্রস্তুতি। অথচ শূন্য পদ অনুযায়ী জনবল থাকলে এই সমস্যা সৃষ্টি হয়ে রোগ নির্ণয়ের গতি থমকে যেতো না। এভাবে আক্রান্তের হার বাড়লে অচিরেই ধস নামতে পারে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে। কারন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ছাড়া নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা নীরিক্ষা সম্ভব নয়। প্রতিদিন মিডিয়া গুলোতে খবর পাওয়া যাচ্ছে অফিস সহকারী, সিএইচসিপি,ইপিআই দিয়ে নমুনা সংগ্রহ করার কারনে ভুল ডায়াগনসিস হতে পারে এবং নমুনা সংগ্রহ ত্রুটিপূর্ন হচ্ছে। কারন একটা দাপ্তরিক কাজে সেই বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত জনবল ছাড়া অন‍্যকেউ করলে তা ভুল হতে পারে শতকরা ৯৫ ভাগ।
কারন স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে যাদের কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে কেবল সেই বিষয়ের উপর যাদের আছে একাডেমিক জ্ঞান এবং হাতেকলমে কাজের স্বীকৃতি। তাই এই সমস্যা দ্রুত সমাধান করতে হলে দেশের ডিপ্লোমা ও গ্রাজুয়েট করা মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সরাসরি, স্থায়ী,বা অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে। দেশে সরকারি ও বেসরকারি ভাবে প্রায় ৫০ হাজার প্রশিক্ষিত বেকার মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পাশ করে বছরের পর বছর বসে আছে শুধু নিয়োগ না থাকার কারনে এবং এরই মধ্যে প্রায় ৪/৫ হাজার গ্রাজুয়েট মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পাশ করে বের হয়েছে। দেশের এই দুর্যোগ মোকাবেলায় দক্ষ মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের নিয়োগ দিয়ে উপযুক্ত সময়ে তাদের কর্ম দক্ষতা কাজে লাগিয়ে দেশের সংকট নিরসনে পূর্ব প্রস্তুতি ও স্বাস্থ্যখাতের গতি বাড়নো যেমন সম্ভব, ঠিক তেমনি বেকারত্ব দুর হবে এই পেশায়, স্বাস্থ্য ও সেবার মান বাড়বে উজ্জ্বল হবে সরকারের ভাবমূর্তি।

মোঃ নাজমুল হোসাইন
ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট
বিএসসি ইন মেডিকেল টেকনোলজি(কোর্স চলমান)।
কার্যকারি সদস্য বিটিইবিএমটিএস কেন্দ্রীয়।
সহ সভাপতি, বিটিইবিমেটপ পাবনা জেলা। যুগ্ম আহ্বায়ক, বিএমএলটিএস কেন্দ্রীয়সংসদ।

বাকাশিবোমেটেপ ও বামেলটেসো এর উদ্যোগ এ ত্রান বিতরন

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট পরিষদ ও বাংলাদেশ মেডিকেল ল্যাবরেটরী টেকনোলজিষ্ট সোসাইটির উদ্যোগ এ ত্রান বিতরণ করা হয় রাজধানীর উওরা, টঙ্গীর হোসেন মার্কেট ও আব্দুল্লাহপুর এলাকায় । এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল ল্যাবরেটরী টেকনোলজিষ্ট সোসাইটি এর আহবায়ক ডাঃ মোহাম্মদ লিটন মিয়া, সদস্য সচিব মো,সাজ্জাদ হোসেন বিপ্লব,

যুগ্ম-আহবায়ক ,মো,নাজমুল ইসলাম সজল । প্রায় ৫০ টি পরিবার কে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়। আগামী রমজান মাসে আরো এান বিতরণ এর কার্যকম হাতে নেওয়া হবে বলে সংগঠন এর পক্ষ থেকে জানানো হয়। সমাজের সবাই কে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান নেতৃবৃন্দ।

মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট নিয়োগ এর দাবী জানিয়েছে- বামেলটেকসো

করোনা ভাইরাস এর পরিস্থিতিতে দ্রুত মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট নিয়োগ এর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল ল্যাবরেটরী টোকনোলজিষ্ট সোসাইটির এর আহবায়ক ডাঃ মোহাম্মদ লিটন মিয়া ও সদস্য সচিব মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বিপ্লব । সংগঠন এর যুগ্ম আহবায়ক মোঃ নাজমুল ইসলাম সজল বলেন দীর্ঘ ১২ বছর কোন নিয়োগ নেই মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট দের। জাতির এ দুঃসময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর গাইড লাইন টেস্ট টেস্ট টেস্ট বাস্তবায়ন করতে হলে এখন নিই করোনা ভাইরাস পরীক্ষার পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট নিয়োগ দিতে হবে। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট পরিষদ এর সভাপতি মোঃ ইমান উদ্দিন ডালিম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলাল হোসেন বলেন মামলা জটিলতা দুর হওয়ার পরও কিছু বেকার টেকনোলজিষ্ট দের নতুন মামলার কারনে নিয়োগ থমকে আছে। এ জাতি কে রক্ষা করতে হলে এখনি পদক্ষেপ নিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহবান জানান।দেশে প্রথম ৭০ হাজার মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট বেকার বসে থাকার পরও ইপিআই টেকনিশিয়ান ও নার্স দের একদিন এর প্রশিক্ষন দিয়ে করোনা ভাইরাস এর নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। যাহা কাম্য নয়। দেশের ৩/৪ বছর এর ল্যাবে ডিপ্লোমা করা জনবল কে কাজে না লাগিয়ে, জনস্বাস্থ্য কে হুমকির ফেলে দিচ্ছে। এতে স্যাম্পল কালেকশন ও টেস্ট করা দুটোই ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে বলেন মত বিশেষজ্ঞ দের।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে পুলিশের একদিনের বেতন

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ২০ কোটি টাকা আর্থিক অনুদান দিয়েছেন পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

পুলিশের পক্ষ থেকে রোববার (০৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের কাছে অনুদানের এ চেক হস্তান্তর করেন তিনি।

পুলিশ জানায়, ২০ কোটি টাকার অনুদানের অর্থের মধ্যে রয়েছে পুলিশ কনস্টেবল থেকে ইন্সপেক্টর জেনারেল পর্যন্ত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের একদিনের বেতন, বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ‌্যাসোসিয়েশন, পুলিশ অফিসার্স মেস ও পুলিশ কল্যাণ তহবিলের অর্থ।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে র‌্যাবের মহাপরিচালক ড. বেনজীর আহমেদ, অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন ও অপারেশন্স) ড. মো. মইনুর রহমান চৌধুরী, এসবির অতিরিক্ত আইজি মীর শহীদুল ইসলাম, ডিএমপি কমিশনারসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রমজানে অফিস ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা

আসন্ন রমজান মাসে সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (০৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে রমজান মাসে সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়।

এর আগে গণভবনে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এতথ্য জানানো হয়। 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানানো হয়, রমজানে দুপুর সোয়া ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে শুক্র-শনিবার।

ব্যাংক-বিমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ডাক, রেলওয়ে, হাসপাতাল, রাষ্ট্রয়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা এবং অন্যান্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এ সময়সূচির আওতার বাইরে থাকবে।

ওইসব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব আইন অনুযায়ী জনস্বার্থে বিবেচনা করে সময়সূচী নির্ধারণ অনুসরণ করবে। 

আর সুপ্রিমকোর্ট তাদের আওতাধীন সব আদালতের সময়সূচী নির্ধারণ করবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানানো হয়।

করোনার কবলে এবার বাঘ

মহামারি করোনাভাইরাসে নাজেহাল গোটা বিশ্ব। বিশ্বের প্রায় ১৩ লাখ লোক আক্রান্ত হয়েছে এই ভাইরাসে। প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ৭০ হাজার। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না পশুরাও।

চিকিৎহীন এই ভাইরাসে রোববার আক্রান্ত হয়েছে নিউইয়র্কের ব্রোনক্স চিড়িয়াখানার ৪ বছর বয়সী বাঘ নাদিয়া। মানুষের শরীর থেকে তার শরীরে প্রবেশ করেছে ভাইরাসটি। পরীক্ষা করে বাঘের শরীরে কোভিড-১৯ এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার পর এই প্রথম কোনো পশু আক্রান্ত হল।

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে নাদিয়া, তার বোন আজুল, আরো দুটি বাঘ এবং তিনটি আফ্রিকান সিংহ ‘শুকনো কাশির’ সমস্যায় ভুগছে। শ্বাসযন্ত্রের সমস্যার কারণে চিড়িয়াখানার বেশ কিছু সিংহ ও বাঘকে কোভিড-১৯ টেস্ট করা হয়। সেখানেই নাদিয়ার করোনা ধরা পড়ে। এমনই তথ্য দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাগ্রিকালচারস ন্যাশনাল ভেটেনারি ল্যাবরেটরিজ।

চিড়িয়াখানার দেওয়া এক বর্তায় জানানো হয়েছে, ‘যদিও বাঘগুলোর ক্ষুধামন্দার সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে চিড়িয়াখানায় তারা পর্যবেক্ষণের মধ্যে আছে। তাদের পরিচারকের সঙ্গে বেশ সাড়া দিচ্ছে। ঠিক কিভাবে তাদের মধ্যে কনোরাভাইরাস ছড়ালো সেটা এখনো অজানা। কারণ, একেকটা প্রজাতি করোনাভাইরাসের সঙ্গে একেকরকম আচরণ করে। একেক প্রজাতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে একেকরকম লক্ষণ প্রকাশ করে। তবে যতদিন পুরোপুরি সেরে না ওঠে ততোদিন বাঘগুলোকে আমরা পর্যবেক্ষণে রাখবো।’

ধারনা করা হচ্ছে যেসব লোক বাঘগুলোর দেখভাল করে তাদের কোনো একজনের মাধ্যমে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস। হয়তো ওই ব্যক্তির মধ্যে এখনো করোনাভাইরাসের লক্ষণ প্রকাশ পায়নি। কিন্তু তিনি ভাইরাসটি বহন করছেন। তাইতো চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ আজ থেকেই সতর্ক হচ্ছে এ বিষয়ে। যারা যারা বাঘগুলো দেখভাল করছে তাদের পরীক্ষা করে দেখা হবে এবং চিড়িয়াখানা থেকে দূরে রাখা হবে।

এমন ঘটনায় যারপরনাই উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্রের বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ সমিতি।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গেল ১৬ মার্চ থেকে বন্ধ আছে নিউইয়র্কের ব্রোনক্স চিড়িয়াখানা। এবার কিনা চিড়িয়াখানার পশুরাই আক্রান্ত হয়ে গেল প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে!

তথ্যসূত্র : নিউইয়র্ক পোস্ট, বিবিসি ও সিএনএন।