করোনা চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি।

করোনা চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি।
ডাঃ মোহাম্মদ লিটন মিয়া
ডিএইচএমএস (ঢাকা)
ডিএমটি (ল্যাব মেডিসিন)
বিএইচএমএস(ডিইউ)
এমএসসি ইন মাইক্রোবায়োলজি (প্রএবি)
করোনা ভাইরাস এর লক্ষন সমুহঃ
১/ প্রথম দিন শুরু ক্লান্তি আসবে।
২/ তৃতীয় দিন হালকা জ্বর অনুভব হবে।
৩/সঙ্গে কাশি ও গলায় সমস্যা হবে।
৪/ ৫ম দিন পর্যন্ত মাথায় যন্ত্রনা হবে। পেটের সমস্যা ও হতে পারে।
৫/ ষষ্ঠ বা সপ্তম দিনে শরীর এর ব্যাথা বাড়বে এবং মাথার যন্ত্রনা কমতে থাকবে।তবে পেটের সমস্যা থেকেই যাবে।
৬/ অষ্টম ও নবম দিন যদি জ্বর, শুষ্ক কাশি, শ্বাস কষ্ট,গলা ব্যাথা, পাতলা পায়খানা বেড়ে যায় তাহলে অবশ্যই আপনাকে চিকিৎসক এর পরামর্শ নিতে হবে। এবং করোনার পরীক্ষা করতে হবে।
করোনার বিপদ সমুহঃ
১/ রোগী একজন থেকে অন্য জন কে খুব সহজেই ভাইরাস এ সংক্রামন করে পেলতে পারেন।
২/ রোগীর প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট শুরু হতে পারে।
৩/ রোগী একা তার ফ্যামিলীর সবাই কে বা পুরা সমাজ কে আক্রান্ত করে পেলবে, যদি না সে আলাদা না থাকা শুরু করেন।
৪/ রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন।
৫/ অত্যন্ত দুর্বলতার জন্য শ্বাস নিতে ও কষ্ট হয়ে যাবে।
৬/ ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, হার্ট ডিজিজ, হাই প্রেশার,
কিডনি সমস্যা থাকলে সাবধান থাকা টা জরুরী। এসব রোগীদের কে বিশেষ নজর এ রাখতে হবে।
পরীক্ষা নিরীক্ষাঃ ১/ কোভিড ১৯ পিসিআর টেষ্ট সবচেয়ে উওম।
২/ CBC test
৩/ বুকের এক্সরে করাতে হবে।
চিকিৎসাঃ শতকরা ৮০% রোগীর কোন লক্ষনই প্রকাশ পায় না করোনা ভাইরাস এর। যাদের জীবনীশক্তি সবল বা ইমিউনিটি ভালো তাদের কোন ক্ষতি করতে পারে না এ ভাইরাস।
অনেক রোগী সুস্থ হয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন যেমন
গরম পানি খাওয়া ঘনঘন, গরম পানিতে লেবু দিয়ে খাওয়া, রং চা খাওয়া, আদা চা খাওয়া, ভিটামিন সি জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া,প্রচুর পরিমান পানি ও শরবর, জুস ও মাল্টা ও কমলা লেবু খাওয়া, দিনে ১৫ মিনিট করে রোদ এ বসা, ভিটামিন ডি জাতীয় খাবার বেশি করে খাওয়া। নিয়মিত ব্যায়াম ও ভালো ফল দিতে পারেন।
হোমিওপ্যাথি একটি লক্ষন ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি এ খানে রোগ এর নামে কোন মেডিসিন দেওয়া যায় না। রোগী সমস্ত লক্ষন গুলো কে দেখে ঔষধ দিতে হয়।
তবে করোনার রোগীদের লক্ষন এ দেখা যাচ্ছে এ মেডিসিন গুলো আসতে পারে।
১/ আর্সেনিক এল্বাম –
জ্বর, মাথা ব্যাথা, অস্হিরতা,গলা ব্যাথা,মৃত্যু ভয়, পানির পিপাসা,ঘন ঘন অল্প অল্প পানি পান করা, গরম পানি খেলে আরাম বোধ করা। অত্যন্ত দুবল হয়ে যাওয়া।জ্বর ও শ্বাসকষ্ট মধ্য রাতে বেশি থাকে। দিনের ১টা ২ টায় বেশি। হইা করোনা প্রতিরোধ ও কার্যকরী হিসেবে প্রমানিত হচ্ছে। ভারত সরকার বিভিন্ন রাজ্য সরকার কে এ মেডিসিন ব্যবহার করার অনুমতি দিচ্ছে।
২/ ব্রায়োনিয়াঃ
মাথা অত্যন্ত যন্ত্রনা, শুকনো কাশি, বুকে বেদনা, পিপাসা,পায়খানা কোষ্ঠকাঠিন্য, সন্ধিতে এবং গায়ে বেদনা, স্হির ও চুপচাপ থাকলে ভালো লাগে,। গলা ও জিহবা শুষ্ক। করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ৭০ % রোগীর এ মেডিসিন এর লক্ষন দেখা গেছে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে।
৩/ জেলসিমিয়ামঃ
প্রবল জ্বরসহ শারীরিক ও মানসিক নিস্তেজ ভাব,চোখ বুজে এবং চুপ করে শুয়ে থাকা, সবর্দা ঘুম ঘুম ভাব।সমস্ত শরীরের বেদনা বিশেষ করে জয়েন্ট এ। পিপাসা কম,দুবলতার জন্য হাত পা কাঁপা।
৪/ ক্যাম্ফারঃ
রোগী অত্যন্ত শীতার্ত হয়, সামান্য ঠান্ডা সহ্য হয়না,সারা শরীর বরফের মত ঠান্ডা হয়ে যায়,।শরীর ঠান্ডা বরফ এর মত হলে ও রোগী আবৃত থাকতে পারে না।
লক্ষন ভিওিক আরো অনেক মেডিসিন আসতে পারে। তবে অবশ্যই একজন চিকিৎসক এর পরামর্শ নিতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *